অমিতর প্রতি লাবণ্য : অসীম দাস।

0
83

কালের যাত্রার পথে
এসেছি আবার ।
কবিতার শেষ নাই
এই জানা থাক অনিবার ।

অতঃপর !
কেমন আছো অমিত ?
রামগড় পর্বত থেকে
হে বন্ধু , বিদায় চিঠি ,
বই এর ভাঁজে ভুলেছো তো ?

তুমি বড্ড অগোছালো
স্বপক্ষ যুক্তি দিয়ে
স্বততঃ গর্বিত !
কার সাধ্যি তোমাকে হারাতো ?

থাক সেসব কথা ।
বলো , কেতকীকে কেমন রেখেছো ?
প্রেম তার ফেরাতে পেরেছো ?

জানি সেটি ভালো মতো পারো ।
আদর্শ প্রেমিক , শুধু
সরল কে জটিল করো আরও !
এ বিষয়ে তোমার
জুড়ি মেলা ভার ।
প্রমাণ তো নিজেই পেয়েছি বারবার ।

তবে কিনা কেতকীর প্রেম ,
ধরে রাখা চায় ।
সৃষ্টি বরং সোজা ,
সে নির্মাণ নিয়মিত
লালন আপন – করা
অনেক অনেক গুরু দায় ।

জলপটি , হাতের বাতাস ,
পাকশালে ফোড়নের ধোঁয়া ,
প্রতি রাতে বিছানার ছোঁয়া !
হাতে হাত কেক কাটা
পায়েসের বাটি ।
ওগো শোনো, ভালো ছায়াছবি ,
টিকিট টা কাটি ?

নাকি শুধু আপিসের তাড়া ?
কতদিন ভুলে গেছো ,
দুখী শুধু কেতকীর
বৃথা হাত নাড়া !

নিত্য সেই এক ঘটি জল
শুধুমাত্র এক হলে , কম বটে ।
প্রাতরাশে পোকা কাটা ফল !

এতদিন পর ,
এ চিঠির হেতু বলি
হে পন্ডিত প্রবর ।
বলি শোনো ,
শঙ্করের বিপ্রতীপে
মায়া যোগ করো ।
এক যুক্ত এক ঘটি ,
এক নদী মায়া স্রোত ধরো ।
পরপর ঢেউ যুক্ত ঢেউ
এক আকাশ ভালোবাসা ।
দেওয়া নেওয়া মিলে মিশে
কেতকী – তোমার সসাগরা বাসা ।

প্রেম আছে সরোবর বুকে !
মধ্যমনি দ্রিম্ দ্রিম্
দ্রুত নাড়ী রিমঝিম ,
রাত ভোর , আধ জাগা
বাকি স্বপ্ন , গেছে এঁকে বেঁকে !

ঋণী করে জ্ঞানী তুমি
করেছো আমায় ,
পুনর্বার , হে বন্ধু বিদায় !

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here