প্রাক শারদীয়া মিলন মেলা অনুষ্ঠান।

0
290

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- গত রবিবার ০৮/০৯/১৯ প্রাক শারদীয়া মিলন মেলা অনুষ্ঠানে শরৎ তার অানন্দের ডালি নিয়ে উপস্থিত ছিল৷ ছোটদের গানের মধ্যে প্রজ্ঞার গান, অদ্রিজার নাচ( ও অায়রে ছুটে অায় পুজোর গন্ধ এসেছে),স্বাধ্যায়ের ছড়া ছিল অসাধারণ ও খুশীতে ভরা৷ অনেক শিল্পীর মধ্যে রবীন্দ্রভারতীর বেশ কিছু প্রাক্তনিকার গান ছিল অনবদ্য ও অাকর্ষনীয়৷ যেমন শিল্পী মীণাক্ষী বন্দোপাধ্যায়, বানী দাস, সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ—চৌধুরী, ডঃ অসীম হাটুয়া, কখনও একক, কখনও সমবেত গানে এক অসাধারণ ও অানন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিলেন৷ শিল্পী অন্বেষা মোদকের গান ছিল উল্লেখযোগ্য৷ স্বরচিত কবিতা পাঠে বিভিন্ন কবিদের মধ্যে কবি শান্তনু চট্টোপাধ্যায়,বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব ও কবি এবং অাবৃত্তিকার শ্রীতমা মুখোপাধ্যায়,”মনের কলম” পত্রিকার সম্পাদক দিলীপ গোমস্ , এবং রুনার স্বরচিত কবিতা পাঠ ছিল উল্লেখযোগ্য৷ সমবেত গানের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য অাকর্ষনীয় নৃত্য ছিল বিশিষ্ট শিল্পী সুকন্যা রায় এর৷ শ্রীতমার নাচও ছিল উল্লেখযোগ্য ৷ অশোক মুখোপাধ্যায় অতনু মুখার্জি ও দেবান্বিতা মুখার্জীর গানও ছিল শ্রুতিমধুর৷ সঞ্চালনায় ছিলেন শ্রীতমা৷ পারমিতা কুন্ডুর গানও ছিল অনবদ্য৷সঙ্গতে ছিলেন অনিমেষ চন্দ।

মজার শ্রুতিনাটক ছিল দুটি৷ উপস্থিত দর্শকদের দমফাটা হাসিতে হাসাতে থাকেন শ্রীতমা, পারমিতা ও মীণাক্ষী ৷
প্রদর্শনী ছিল সেদিনের বাড়তি অাকর্ষন৷ শিল্পীদের হাতের কাজের বিভিন্ন জিনিস প্রদর্শিত হয়৷ “ঐশ্বরিকা”র কর্ণধার ও সম্পাদক এবং সদস্যরা তাদের অাগামীর অনাথ শিশুদের ও কুলি মজুর ভাইয়েদের পাশে দাঁড়ানোর কর্মসূচি সবাইকে জানান৷ নান্দনিক ও প্রার্থনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পেন্সিল, রাবার, ড্রয়িং খাতা, রঙিন প্যাস্টেল, অারও অনেক কিছু এবং জামা কাপড়৷ যা এনে ছিলেন বিভিন্ন অামন্ত্রিত শিল্পীরা ৷ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সামান্য অর্থ ছোটদের মুখে অাগামী পুজোকে অানন্দময় করে তুলবে এই অাশায় তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়৷ অাগামী ১৫ তারিখে মানিকতলা খাল পাড়ের কবি শঙ্ঘ ঘোষের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের এইসব পথশিশুদের জন্য জিনিস নিয়ে যাবে ঐশ্বরিকা অামরা সবাই সেটি জানতে পারলাম৷ শারীরিক অক্ষম ও অনাথ শিশুদের জন্য দিলীপ গোমস্ কি কি কাজ করছেন সেটাও এদিন জানা গেল৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here