মীরাক্কেল’খ্যাত ডাঃ কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জির একান্ত সাক্ষাতকারে সুমন কুমার ভূঞ্য।

0
1757

“আরো অনেকটা পথ চলা বাকী, আরো অনেক কিছু করার বাকি……… ডাঃ কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জি”।
শুধু নিছকই হাস্যরস সৃষ্টি নয়, কৌতুককে একটা শৈল্পিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পেরেছেন তার অসামান্য অভিনয় ও দক্ষ স্ক্রীপ রাইটিং এর মধ্য দিয়ে। তার ক্ষুরধার লেখনী শক্তি মানুষের মধ্যে শুধু হাস্যরসের জন্ম দেয়নি, মানুষের চিন্তন শক্তি, ভাবনা ও ভাবাবেগকে আন্দোলিত করতে সক্ষম হয়েছে। তার প্রায় প্রতিটি উপস্থাপনা সমাজের কাছে একতা গভীর বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছে। তার রঙ্গরসে যেমন উঠে এসেছে আধুনিকতা, তেমনি হীরক রাজার দেশ। তিনি ব্যাতিক্রমী। একাধারে ডাক্তার, অভিনেতা, দক্ষ স্ক্রীপ রাইটার, দুরন্ত উপস্থাপক ও পরিচালক। এহেন গুনী, অসামান্য বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী আমাদের সকলের প্রিয় ডাঃ কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জির মুখোমুখি  আমি সুমন।

প্রঃ – আপনার জার্নি সম্পৰ্কে কিছু বলুন। মানে ডাক্তারি পেশা থেকে হঠাৎ করে এই পেশাতে আশা কি ভাবে?
উঃ – যখন ডাক্তারিতে ফাইনাল ইয়ার দিই তখন রেজাল্ট বেরানোর আগে মাস খানেক ছুটি ছিল। তাই ওই সময়টাতে কি করবো। তখনই মীরাক্কেলে অডিশান দিই। সুযোগ পাই কাজ করার। তারপরে কাজটাকে এত ভালো লেগে যায় যে এই কাজটা নিয়েই সিরিয়াস হয়ে যাই। নেশাটাই পেশা হয়ে গেল।
প্রঃ – এই মিডিয়াতে আসার মোটিভেশানটা কোথা থেকে পেলেন ?
উঃ – তখন চেম্বার আর মীরাক্কেল দুটোই একসঙ্গে কাজ করতাম। তারপর একদিন এক পেসেন্ট বলেছিল যে আপনি যখন পারফর্ম করেন দেখে মন ভালো হয়ে যায়। শরীরটা অনেকটা সুস্থ লাগে। শুধু যে এই একটি কারনে এই প্রফেসনে আসা তা নয়। তবে কোথাও না কোথাও ঐ কথাটা মনে রয়ে গেছে। মানে যে উদ্দেশ্য নিয়ে ডাক্তারি পড়া কোথাও এই পেশাতেই সেই উদ্দেশ্যটাই আলটিমেটলি সফল হচ্ছে।
প্রঃ – কতটা লড়াই করতে হচ্ছে?
উঃ – এই ইন্ডাস্ট্রিতে’তো লড়াই করতেই হবে। তাছাড়া যেহেতু আমি অন্য জগত থেকে এসেছি স্বাভাবিক ভাবে অনেক টেকনিক্যল জ্ঞান আমার ছিল না। তাছাড়া যারা এই বিষয়ে পড়াশোনা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করে বেরোচ্ছে, তারা অনেক ভালো কাজ করছে। সুতরাং মানুষ তো দেখে শেখে আর ঠকে শেখে। আমি ঠকে শিখছি।
প্রঃ – এখনও পর্যন্ত কতগুলো স্ক্রীপ্ট আপনার দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে ?

উঃ – প্রায় দশ বছর হয়ে গেল ইন্ডাস্ট্রিতে। তবে ২-৩ হাজার তো হবেই।
প্রঃ – কতগুলো রিয়েলিটিশোতে কাজ করেছেন?
উঃ – প্রায় ৩৫-৩৬ টার মতো।
প্রঃ – আপনি যখন পারর্ফম করেন অদ্ভুত ভাবে দুটো চরিত্র আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে, এক: উৎপল দত্ত, দুই: সত্যজিত রায়। এই বিষয়টি নিয়ে যদি কিছু বলেন?
উঃ – সত্যজিত রায় চিরকালই আমার খুব প্রিয় পরিচালক। মানে খুব কম পরিচালক বাংলায় জন্মেছেন যিনি গ্রাম ও শহরের দর্শকদের মধ্যে একটা মেলবন্ধন করতে পেরেছেন।  আজও ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ চললে গ্রামের মানুষ, শহরের মানুষ সমান আগ্রহ নিয়ে দেখতে বসে পড়বে। আসলে এই কানেকশানটা খুবই দরকার। একজন পরিচালক ও একজন রাইটারের ক্ষেত্রেও। আর আমার মনে হয় যে এই জিনিসটা এখন হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন কমার্সিয়াল ছবি গ্রামে বেশি চলে শহরে বেশি চলে না, আবার প্যারালাল ছবি শহরে বেশি চলে গ্রামে বেশি চলেনা এই ভাবে ভাগ করে দিচ্ছি। কিন্তু সবার জন্য সাধারন ভাবে একটা গল্প বলা বা গল্প ভাবা, মানে এই বিশেষত্বটা কোথাও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সেইটার জন্য সত্যজিত রায়ের প্রতি আলাদা একটা শ্রদ্ধা রয়েছে।
আর উৎপল দত্তকে নিয়ে একটা মিমিক্রি করতে করতেই দেখলাম হিট হয়ে গেল।
প্রঃ – ডিরেক্টর হওয়ার বাসনা কি ভাবে এল?
উঃ – ডিরেক্টর হওয়ার বাসনাটা একটু অন্যভাবে এসেছে। যেগুলো লিখতাম এত দিন ধরে আর অন্য কেউ ডিরেক্ট করত সেক্ষেত্রে মনে হত আমি যেটা চাইছি সেটা ঠিক পাচ্ছি না। কারন একটা চরিত্রকে দাঁড় করাচ্ছিতো আমি, সেই চরিত্রের হাঁটা চলা আর এক রকম ভাবে দেখছি। অন্য ডিরেক্টর তার মতন করে ভেবে ডিরেক্ট করছে। তাই যদি আমি নিজেই ডিরেক্ট করি অন্তত যেটা ভাবছি সেটা মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারব, সেটা ভালো হোক বা মন্দ হোক। সেখান থেকেই…….
প্রঃ – সম্প্রতি আপনার স্বল্প দৈর্ঘের একটা ফিল্ম রিলিজ করেছে। ‘সত্যদার কোচিং’। নিছকই হাস্যরস সৃষ্টি, নাকি ‘সত্য স্যার’ চরিত্রটা সৃষ্টি করে সমাজের কোন এক শ্রেনী বা শিক্ষক কুলের কাছে কি বিশেষ কিছু বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছেন?

উঃ – হ্যাঁ একদম তাই। কিছু কিছু জায়গায় দেখা যায় শিক্ষক ছাত্ৰদের মারছে, শিক্ষক ছাত্ৰদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছে, শিক্ষকদের মারধর করছে। এই জিনিসটা কোথাও একটা খারাপ হওয়ার জায়গা। এই শিক্ষকরাই হাজার হাজার ছাত্ৰ তৈরি করছে যারা ভবিষ্যতে দেশটাকে চালাবে। সেই আদর্শ শিক্ষক এর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা। তাছাড়া স্মৃতি হাতড়ালেই দেখতে পাব যে আমাদের প্রত্যেকেরই লাইফে বিশেষ করে স্কুল জীবনে এমন এক এক জন করে সত্য স্যারের উপস্থিতি। তিনি চক ছুড়ে মারেন। তিনি দাঁড় করিয়ে রাখেন। তিনি বেত দিয়ে ভয় দেখান। স্মৃতির সেই ছবিটাকেও কিছুটা উসকে দেওয়া। আর এখানে আমি স্যারের হাতে বেত দেখিয়েছি, কিন্তু সেই বেতটা কখনও ছাত্ৰদের পিঠে পড়ে নি। ভয় দেখানোটা আছে। মারতেই হবে এমন কোন কথাতো নেই। বেত দেখিয়ে ভয় পাইয়েও কাজ করানো যেতে পারে,সেই জায়গাটা কোথাও একটা দেখাবার চেষ্টা করেছি।
প্রঃ – আমরা কি সত্যদার কোচিং এর পার্ট – 2 দেখতে পাব?
উঃ – হ্যঁ বহু মানুষ সত্যদার কোচিং এর পার্ট – 2 চাইছে। কিন্তু সত্যদা আবার ফিরবে কিনা সেটাতো তার ইচ্ছে।
প্রঃ – ডাক্তারি পেশাতে কতটা সময় দিতে পারছেন?
উঃ – সত্যি কথা বলতে কি এখন আর সেভাবে সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না।  যেটা করব সেটা সিরিয়াসলি করাই ভালো। দুটো একসঙ্গে করলে কোনটাই আর ঠিকমত করা হতনা। আপাতত যেহেতু এটা নিয়ে এত বছর একটু একটু করে নিজেকে তৈরি করার চেষ্টা করছি এখনও বেশ কিছু দিন, বেশ কিছু বছর এটা নিয়েই কাজ করার ইচ্ছে আছে।
প্রঃ – দুটো পেশার মধ্যে একটা অদ্ভূত মিল রয়েছে। একটিতে শারিরীক যন্ত্ৰণা থেকে মুক্তি দেওয়া,আর একটি মানসিক যন্ত্ৰনা থেকে। দুটোই কিন্তু এক ধরনের সেবা। কোন কাজটা বেশি কষ্টের বা কঠিন বলে মনে হয়?
উঃ – কঠিন দুটোই। আসলে কোথাও দুটোর উদ্দেশ্য এক। মানুষকে ভালো রাখা, সেটা যেভাবেই হোক। আসলে আমি দেখেছি যদি ডাক্তারি করতাম দিনে হয়ত একশটা পেশেন্ট দেখতাম। কিন্তু এখন যে মাধ্যমটা বেছে নিয়েছি টেলিভিশন অথবা সিনেমা – যার মধ্যদিয়ে আমি লাখ লাখ কোটি – কোটি মানুষকে ভালো রাখার সুযোগ পাচ্ছি।
প্রঃ – এত ব্যস্ততার মাঝে পরিবারকে কতটা সময় দিতে পারেন? বা পরিবার কতটা সাপোর্ট করে?
উঃ – এটা সত্যি যে ব্যস্ততা খুবই বেড়েছে। ইচ্ছে হলেও স্বাভাবিক ভাবেই পরিবারকে সেই অর্থে সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না। যেমন আমায় একটা ছোট্ট মেয়ে রয়েছে। নাম সুর্দশিনী চ্যাটার্জি। ও একটা নার্সারিতে স্কুলে পড়ে। কিন্তু যখনই অভিভাবকদের ডাকা হয় কিংবা পেরেন্টস – টিচারস মিটিং হয় আমার খারাপ লাগে যে আমি প্রায় নব্বই ভাগ সময় উপস্থিত হতে পারিনা। ওটা ওর মা কেই দেখতে হয়। কিন্তু এটা কিছু করার নেই। আমি যে ইচ্ছে করে করছি না এটা বাড়িতে সবাই জানে। ফলে আলাদা করে কোন চাপ হয় না। মানে বাড়ির সাপোর্ট না পেলে হয়তো আমি এই কাজগুলো করতেই পারতাম না। আসলে যারা এই প্রফেসনে রয়েছেন তাদের সকলেই কিন্তু বাড়ির প্রচ্ছন্ন সাপোর্ট পায়। কিন্তু তাদের যে স্যাক্রিফাইস সেটা সামনে আসে না।

প্রঃ – জীবন কতটা পাল্টেছে? ডাঃ কৃষ্ণেন্দুই বা কতটা পাল্টেছে ?
উঃ – জীবন তো পাল্টেছেই, সত্যি পাল্টেছে। আগে যেভাবে সবার সঙ্গে ঘুরতে পারতাম বা মিশতে পারতাম এখন সেটাই একটু সমস্যা হয়েতো দাঁড়িয়েছেই। ওই যেমন হয় আর কি। তবে খুব সমস্যা না হলে আমি কাউকে ফেরাই না। কেউ আমার সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে কিংবা কথা বলতে চাইলে যতটা সম্ভব চেষ্টা করি। আসলে মানুষের এই যে এত ভালোবাসা এটা আমি উপভোগ করি। কজন মানুষের ভাগ্যে এমন ভালোবাসাই বা জোটে। আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে এক দিন হয়তো সেই জায়গাটা অন্য কেউ নেবে। তাই এই ব্যাপারটা উপভোগ করি। আর আগে নিজের ইচ্ছেমতো যা খুশি লিখে ছাপাতে পারতাম, এখন বুঝে লিখতে হয়। একটু এদিক ওদিক হয়ে গেলেই সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।
প্রঃ – ডাঃ কৃষ্ণেন্দু, পরিচালক, অভিনেতা, স্ক্রীপ্ট রাইটার কৃষ্ণেন্দু — ভবিষ্যতে নিজেকে কোন জায়গায় দেখে বেশি খুশি হবেন ?
উঃ – পরিচালক হিসেবেই নিজেকে দেখতে চাই। আসলে আমাদের বাংলায় তো গল্পের অভাব নেই। প্রচুর ভালো ভালো মানুষ যাঁরা প্রচুর ভালো ভালো গল্প উপহার দিয়েছে, যেগুলো বর্তমান জেনারেশন আর পড়ার সুযোগ পাচ্ছে না। সে গুলোই যদি তাদের সামনে সিনেমার মাধ্যমে দেখানো যায় তাহলে আমার মনে হয় যে অন্তত পুরোন ঐ বাংলার ঐতিহ্যটা বজায় থাকবে। তাই ডিরেকসন করার ইচ্ছেটা রয়েছে।
প্রঃ – এমন কোন স্বপ্ন, যা মনের মধ্যে লালন পালন করে চলেছেন?
উঃ – হ্যাঁ, সে তো রয়েইছে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার সৌভাগ্যতো খুব একটা সবার হয় না। আমি দীর্ঘ দিন ধরে দাদার, মানে সৌরভ গাঙ্গুলির খুব কাছ থেকে সান্নিধ্য পেয়েছি। দাদাগিরিতে উনার সঙ্গে এক সাথে কাজ করেছি। ফলে ঐ মানুষটিকে দেখতাম এবং ভাবতাম যে সত্যি এই মানুষটি কত সৌভাগ্যবান যে দেশের জন্য কিছু করতে পেরেছেন। তাই যে যেই প্রফেসনেই থাকুক না কেন সে সেই প্রফেসনেই দেশের জন্য কিছু করতে পারে। তাই আমারও ইচ্ছে আছে সিনেমার মাধ্যমে ভারতবর্ষের নাম কোন ভাবে যদি পৃথিবীতে ছড়াতে পারি। এটা খুবই দুঃসাহসিক ব্যপার, কিন্তু স্বপ্নতো এরকমই হয়, তাই না।
প্রঃ – শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় ও মীর, এই দুই জন মানুষ আপনার জীবনে কতটা প্রভাব বিস্তার করে রয়েছেন ?
উঃ – ঠিক ‘মেঝে ও ছাদ’ এর মতন। মেঝে না থাকলে যেমন দাঁড়াতে পারব না, আবার ছাদ না থাকলে বাঁচতে পারব না। শুভঙ্কর দা যদি আমাকে ইন্ডাস্ট্রিতে না আনতেন তাহলে আমি আজ হয়তো কিছুই করতে পারতাম না। আর এর পরেই তো পুরো মীরদা। আমি এখনো মীর দার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখি। এই যে সত্যদার কোচিং এত হিট হয়েছে তার পেছনে মীরদার বিশাল ভূমিকা রয়েছে এবং পুরো নিঃস্বার্থ ভাবেই তিনি কাজ করেছেন এই ছবিতে। মানে কোন কিছু দাবী ছাড়াই। তাই মীরদা ও শুভঙ্করদা আমার কাছে মিলে মিশে একাকার।
প্রঃ – কাজের পরে কিভাবে সময়টা কাটাতে ভালোবাসেন ? বন্ধু বান্ধব না পরিবার ?

উঃ – বন্ধু বলতে কলেজে যে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল পরবর্তীকালে সেই আমার বেটার হাফ হয়েছে, ফলে আমার বন্ধু আমার ঘরেই থাকে। তাই আলাদা করে বাইরে গিয়ে আমাকে আড্ডা মারতে লাগে না। একসঙ্গে থাকলে বন্ধুই থাকি, দুজনে আড্ডা মারি, এক সঙ্গে সিনেমা দেখতে যাই। মানে বন্ধুরা একসঙ্গে থাকলে যা যা করে আমরা ঠিক সেই ভাবেই এনজয় করি। আর অবসর সময় পেলে অবশ্যই একটু সোশ্যাল মিডিয়াতে চোখ রাখি, পড়তে ভালোবাসি, লেখালেখি করতে ভালোলাগে, কোন গল্পের প্লট মাথায় এলে লিখে রাখি।
একদম এক কথায় উত্তর দিন।
প্রিয় পরিচালক – সত্যজিত রায়।
প্রিয় অভিনেতা – উত্তম কুমার।
প্রিয় অভিনেত্রী – করিনা কাপুর।
পছন্দের খাওয়ার – ইলিশ মাছের যে কোন পদ্।
ভালো লাগার জায়গা – পাহাড়।
ভুতের রাজা তিনটি বর দিতে চাইলে কি কি বর চাইবেন – ঐ জুতো টা আমার লাগবে। জুতোটা আমার দেখার খুব ইচ্ছে আছে। আর গান গেয়ে ইমপ্রেস করার কোন ইচ্ছে আমার নেই, কার হাততালি কেউ দেয় না। আর বাকী দুটো বর হচ্ছে আরও একটা বর দিন, আরও একটা বর দিন।
অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই সব খবর এর পক্ষ থেকে আমাকে সময় দেওয়ার জন্য। আপনার অনেক অনেক সাফল্য কামনা করি। আমাদের সকলের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা সর্বদাই আপনার সঙ্গে থাকবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

 Post Views: 7,449

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here